মঙ্গলবার , ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জাগো জবস
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা
  13. ধর্ম ও জীবন
  14. প্রবাস জীবন
  15. ফিচার

মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র: রক্তাক্ত বাংলা (১৯৭২)

প্রতিবেদক
admin
ডিসেম্বর ১২, ২০২৩ ৮:০১ অপরাহ্ণ

রক্তাক্ত বাংলা মমতাজ আলীর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থায় গৃহীত, মুদ্রিত ও পরিস্ফূটিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটির মূল কাহিনি রত্না চ্যাটার্জীর; এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেন শান্তি কুমার চ্যাটার্জী। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণ করেন সাধন রায় ও এম.এ মোবিন এবং শব্দগ্রহণ করেন মোজাম্মেল হক আর সম্পূর্ণ চলচ্চিত্রর সম্পাদনা করেন বুলবুল চৌধুরী।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

চলচ্চিত্রটি শুরু হয় গ্রাম বাংলার অপরূপ দৃশ্য দিয়ে। পরের দৃশ্যে দেখা যায় হাসি নামে একটি মেয়েকে ও তার বড় ভাই শাহেদকে যিনি একজন ভাস্করশিল্পী। শাহেদের বোন শাহেদের খুব আদরের, শাহেদ কোনও ভাস্কর্য বানালে হাসি তার ভাইকে ছড়া বানিয়ে গান শুনাতো। একদিন শাহেদের বাড়িতে সন্ধ্যা নামে এক মেয়ে আসে। সন্ধ্যা শাহেদের ভক্ত, সেও শাহেদের মত শিল্পী হতে চায়। সন্ধ্যা শাহেদের ঘরে শাহেদের হাতে তৈরি কিছু মূর্তি ও ভাস্কর্য নাড়িয়ে দেখে, তখনই দুর্ঘটনা ক্রমেই সন্ধ্যার হাত থেকে মাটির পুতুল পড়ে ভেঙে যায়, যেটি দেখে শাহেদ প্রচন্ড রেগে যায় এবং সন্ধ্যাকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়।

২৫শে মার্চ ১৯৭১। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের মানুষের উপর চালায় বর্বরোচিত গণ্যহত্যা; মসজিদ, মন্দির ধর্মীয় উপাসনালয় মানুষের ঘরবাড়ি তাদের নির্মমতা ও অত্যাচারের শিকার। শাহেদের বোন হাসিকে নির্মমভাবে হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী। যা দেখে শাহেদ ভেঙে পড়ে। হাসির মৃতদেহে রক্ত দিয়ে আঁকা বাংলাদেশের মানচিত্র দেখে আর মানুষের এই নির্মম অবস্থা দেখে শাহেদ মুক্তিযুদ্ধে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। শাহেদ মুক্তিবাহিনীর ক্যাপ্টেন এবং সেক্টর ইনচার্জের দায়িত্ব পায়। শাহেদ ও তার গেরিলা দল বহু আক্রমণে সফল হয়। দেশ স্বাধীন হলে শাহেদ বুঝে উঠতে পারেনা সে কোথায় যাবে কী করবে? ঠিক সেই মূহুর্তেই একটি গাছের নিচে বিশ্রাম নেবার সময় এক মেয়ের চিৎকার শুনতে পায় শাহেদ। অন্ধকারে লাইট মেরে শাহেদ চিনতে পারে সেই মেয়েকে যে মেয়ে তার বাড়িতে পুতুল ভেঙে ছিলো। সেখানেই উপস্থিত হয় সন্ধ্যার বড় ভাই ডাক্তার মাসুদ যিনি পূর্বে সেনাবাহিনীর মেজর ছিলেন। মাসুদের কাছে শাহেদ জানতে চায় সন্ধ্যার এই অবস্থার কারণ। জবাবে মাসুদ বলে সন্ধ্যা পাকবাহিনীর নির্যাতনের শিকার। শাহেদকে দেখার পর থেকে সন্ধ্যা আস্তে আস্তে সুস্থ হতে শুরু করে। শাহেদ দুটি কারণে সন্ধ্যার কাছে ক্ষমা চায়। মাসুদকে শাহেদ প্রতিশ্রুতি দেয়ে সন্ধ্যাকে সুস্থ করার। একদিন শাহেদ ভাবতে ভাবতে তার মৃত ছোট বোন হাসির একটি ভাস্কর বানায়, সন্ধ্যা জানতে চায় কে? শাহেদ বলে, ওর নাম হাসি। সন্ধ্যা মনে করে এটি বুঝি শাহেদের প্রেমিকা। সন্ধ্যার মনে প্রচুর অশান্তি হয়। পরে শাহেদ সন্ধ্যাকে বলে হাসি তার কী হয়। সব শুনে লজ্জায় আর অপমানে আত্মহত্যা করতে যায় সন্ধ্যা। তার আগে শাহেদ চলে এসে অনেক কষ্টে সন্ধ্যাকে এই আত্মহত্যা থেকে বের করে আনে। চলচ্চিত্রটি শেষ হয় একটি লেখা দিয়ে “শেষ নয় শুরু”।

এই চলচ্চিত্রটির সংগীত পরিচালনা করেন সলিল চৌধুরী। এছাড়া গানে কণ্ঠ দিয়েছেন লতা মুঙ্গেশকর, মান্না দে ও সবিতা চৌধুরী। এই ছায়াছবির ‘দাদাভাই মূর্তি বানাও’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়।

লেখক- সাইফুল হক

সর্বশেষ - দেশজুড়ে

আপনার জন্য নির্বাচিত

গভীর রাতে শীতার্তদের পাশে জেলা প্রশাসন

সুনামগঞ্জ তাহিরপুর বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার- ৪

ফুলবাড়ীতে দৈনিক যুগান্তরের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের চাচা শওকত আলী আর নেই, বিভিন্ন মহলের শোক

বিরামপুরে পৌর কাঁচা বাজার নির্মাণ কাজের সাইট লে আউট প্রদান ও পরিদর্শনে আসেন, উপ-প্রকল্প পরিচালক

নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন অধ‌্যক্ষ ইকবাল হাসান তপু

ফুলবাড়ীতে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালিত

ফুলবাড়ীতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

দিনাজপুর জেলার সর্বোচ্চ আয়কর দাতা ফুলবাড়ীর গুপ্তা প্লাইউডের চেয়ারম্যান রাজু গুপ্ত

জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব থেকে আলী হোসেন খানকে বহিস্কার