কাঠালিয়ায় মারামারির ঘটনায় আহত চার

0

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় গত ২ মে সন্ধ্যা সাতটার পর কাঠালিয়া বাসস্ট্যান্ডে পূর্ব শত্রুতার জেড় ধরে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে গত কয়েক মাস আগে কাঠালিয়া উপজেলা পরিষদ মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পশ্চিম আউড়া এলাকার নাসির মুন্সির ছেলে মইন মুন্সি ও মার্জু মুন্সির সাথে তর্ক বিতর্ক হয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছিলো।

তারই জেড় ধরে মইন মুন্সি গ্রুপের দলবল কাঠালিয়ার বাইপাস মোড়ে ক্রিকেট খেলার মাঠে গিয়ে ফারুক সাংবাদিকের ছেলে সিয়াম ও তারেক পিতা শাহেব আলী নামের দুই জনকে পিটিয়ে আহত করেছিলো।

পরবর্তীতে গত কয়েক দিন আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ছেলে সৌরভের সঙ্গে চলাচল করা ও স্থানীয় স্কুল রোডের বাসিন্দা সিন্টু খানের ছেলে জাইয়ান (১৬) সাথে স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী অহেদের নাতি ক্ষ্যাত এর সাথে বাসস্ট্যান্ডের ফল দোকানদারের ছেলে সাকিব ১৭ এর সাথে মারামারির ঘটনা ঘটে। সেই মারামারিতে সেন্টু খানের ছেলে জাইয়ানের মাথায় আঘাত লেগে মাথা ফেটে রক্তাত্ত্ব জখম হয়।

সেই সুবাদে ও লোক মুখে শোনা প্রেম সংগঠিত কারন জরিত গত ০২ মে সন্ধ্যা ৭ টায় কাঠালিয়া বাসস্ট্যান্ডে আটকিয়ে সৌরভ সিকদারের গ্রুপের লোকজন জাইয়ান ও অন্যানের উপরে আবার হামলা করলে স্থানীয় চেয়ারম্যান কবির সিকদারের ছেলে সৌরভ তার দলীয় লোকজন নিয়ে কাঠালিয়া আমুয়া ইউনিয়ন ইফতার পার্টি থেকে ফিরে এসে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে মারামারির ঘটনা দেখলে, তারা সেই তর্কে জড়িয়ে পড়ে।

এতে বাসস্ট্যান্ডের ফল ব্যবসায়ী দুলালের ছেলে জড়িত থাকায় তার নতুন আত্মিয় পশ্চিম আউড়ার নাসির মুন্সির তিন ছেলে ও তাদের দলবল এসে ১. ইমু সিকদার (২০), পিতা মৃত্যু নওয়ার সিকদার ২. সৌরভ সিকদার (১৭), পিতা চেয়ারম্যান কবির সিকদার ৩. জাইয়ান (১৬), পিতা সেন্টু খান ৪. খালেক(১৮), পিতা আমজেদ মোল্লা নামের ৪ জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে,এরা বর্তমানে চিকিৎসায় রয়েছে।

এবিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম কবির সিকদার কাঠালিয়া থানার ওসি পুলক চন্দ্রকে বলেন নাসির মুন্সির ছেলেরা বার বার আমার ও আমাদের লোকজনের উপর রামদা দিয়ে আক্রমণ করেছে। বিগত দিনে থানায় অভিযোগ করেও কোনো ফল হয়নি, এবারও কোনো ফল হবেনা।

এবিষয়ে কাঠালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় বলেন, আপনারা আমাদের কাছে অভিযোগ না দিলে আমার কিভাবে ব্যবস্থা নিবো। আপনার আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আইন হাতে তুলে না নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ করুন। আমরা এর ব্যবস্থা নিবো বলে জানান তিনি।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে আটক করা হয়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে