বগুড়া কাহালুতে তরমুজের মান নিয়ে বিতর্ক, মারপিটে আহত ২।

0

বগুড়া প্রতিনিধি বগুড়া কাহালুতে তরমুজের মান নিয়ে বিতর্কের ঘটনায় মারপিটে গুরুত্বর আহত দু-সহদর ভাই।

১৯ এপ্রিল রোববার রাত ৮:৩০ মিনিটে বগুড়া কাহালু উপজেলার শীতলাই ক্লাবঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুত্বর আহত অবস্থায় দু-সহদর ভাই কে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছেন।

আহতরা হলেন, কাহালু উপজেলার শীতলাই গ্রামের আলহাজ্ব ময়েজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ হেলাল (৪৫) ও তার ভাই উপজেলা মৎস্যজীলীগের যুগ্ন আহবায়ক মোঃ জুয়েল (৪২)। প্রত্যেক্ষদশীরা জানান, সেখানকার ব্যবসায়ী আঃ খালেকের দোকানে তরমুজ কিনতে যান জুয়েল। তরমুজের মান নিয়ে তাদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে হাতহাতির ঘটনা ঘটলে বিষয়টি নিয়ে বৈঠক ডাকা হলে খালেকের ভাগিনা জামিল-সহ বেশ কয়েক জন সংঘবদ্ধ হয়ে সেখানে যান। বৈঠকের আগেই জুয়েলের সাথে জামিলের তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে।

এ সময় আব্দুল খালেকের পক্ষের লোকজনের বেধরক মারপিটে জুয়েল ও হেলাল গুরুত্বর আহত হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এদিকে আহত দু-সহদরকে প্রথমে কাহালু হাসপাতালে নেওয়া হলে তাদের পরিস্থিতি আশঙ্কা জনক হওয়ায় বগুড়া (শজিমেকে) স্থানান্তর করা হয়।

জুয়েলের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তরমুজ কেনার তুচ্ছ ঘটনায় আব্দুল খালেক বহিরাগত লোকজন এনে জুয়েল ও হেলালের উপর হামলা করে। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল খালেকের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোন সংযোগ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে আব্দুল খালেকের ভাগিনা জামিল বলেন, জুয়েল আমার মামার শরীরে তরমুজ ছুঁড়ে মারার ঘটনায় বৈঠক হওয়ার কথা ছিলো। সেখানে আমরা গেলে জুয়েল আমাকে বেদম মারপিট করলে উভয় পক্ষের মধ্যে মরাপিটের ঘটনা ঘটে।

কাহালু থানার
অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমবার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সামান্য তরমুজ কেনাকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়ানোর কারণে উভয়পক্ষের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে