ভয় ভীতি দেখিয়ে বাশ কেটে জমি দখলের চেষ্টা

0

আকাশ রহমান,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া থানার ১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের উত্তর বঠিনা গ্রামের মোহিনী কান্তর পৈত্রিক জমিতে লাগানো ২৩ টি বাশ কেটে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, মোহিনী কান্তর পারিবারিক জমি জমা নিয়ে বিরোধের সুযোগে তার পৈত্রিক জমিতে লাগানো বাশ কেটে জমি দখলের চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ চক্র।

ভুক্তভোগী মোহিনী কান্ত জানান, ১৬ এপ্রিল ( শুক্রবার) দুপুরে আমার পৈতৃক জমিতে যার দাগ নং ৩৩৫৮ লাগানো একটা বাশ ঝার থেকে ২৩ টি বাশ কেটে জমি দখলের চেষ্টা করে, স্থানীয় বিমল চন্দ্র(৩৬), সুরেশ চন্দ্র (৩২) ও পুস্প চন্দ্র (২৮)। এতে বাধা দিলে তারা নিজে নিজের ঘরে আগুন লাগিয়ে ফাঁসানোর জন্য চক্রান্ত করে এবং আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে।

ভুক্তভোগী কামিনী কান্ত আরও বলেন, যে জমিতে বাশ ঝার আছে সেটা জমি আমার নিসংকট পৈত্রিক সম্পত্তি। তিনি বলেন, অন্য দাগে ৮ শতাংশ জমিতে তাদের আপত্তি থাকায় এটা নিয়ে স্থানীয় ভাবে শালিশ বসার পরেও প্রতিপক্ষ চক্র মানতে রাজি না হয় পাল্টা চক্রান্তে লিপ্ত হয়।

এ বিষয় বিবাদী পুস্প চন্দ্রর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা সুবাস চন্দ্র বলেন, যে জমিতে বাশ কাটা হয়েছে এই সম্পত্তি একক মোহিনী কান্তর তারা এই জমিতে লাগানো বাশ কাটা ঠিক করেনি।
প্রতক্ষদোষী নুরে আলম মাস্টার বলেন, তাদের জমি জমা বিষয় আমরা একাধিক বার সমাধানের চেষ্টা করছি কি প্রতি পক্ষ কোন কথা না শুনে আবার মোহিনী কান্তর বাশ কেটে জমি দখলের চেষ্টা করে।

১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক খাদেমূল ইসলাম সরকার বলেন, এবিষয়ে আমি ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলাম তাদের উভয় পক্ষকে সমাধানের জন্য বসছিলাম কিন্তু তারা কথা কর্নপাত না করে তারা আবার বাশ কাটা নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করে। আজকে আবার শালিশে বসার কথা ছিল কিন্তু তার আগেই সমস্যা সৃষ্টি করেছে।

১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি নৃপেন চন্দ্র ঝাঁ বলেন, আমরা তাদের বিষয় টা নিয়ে একাধিক বার আলোচনায় বসছিলাম কিন্তু মোহিনী কান্তর প্রতিপক্ষ গ্রুপ টালবাহানা করে। আমরা নিজ উদ্যোগে আমিন( সার্ভেয়ার) নিয়ে আসা হয়েছে কিন্তু তাতে কোন পক্ষই সমাধানে আসে নি।

এ বিষয় ১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারুল ইসলাম সরকার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়টা আমি শুনেছি কিন্তু মোহিনী কান্ত আমাকে কিছু বলেনি।

রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে