ঠাকুরগাঁওয়ে অবাধে চলছে বালু উত্তলোন

0

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১৬ নং নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া ও ফেসাডাঙ্গী ব্রিজ এর পাস থেকে ও ১১ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের গিলাবারি হরিনায়নপুর এলাকার টাঙ্গন নদী হতে অবৈধ ভাবে অবাধে ড্রেজার দিয়ে চলছে বালু উত্তলোনও বিক্রয় ।

সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় , ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১৬ নং নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া ও ফেসাডাঙ্গী ব্রিজ এর পাস থেকে কয়েকটি প্রভাবশালি মহল বেসকিছু ড্রেজার লাগিয়ে অবাধে বালু উত্তলোন করে চলেছে ।আর সেখানে সারি সারি মাহিন্দ্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বালু কিনে নিয়ে যাচ্ছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাহিনদ্র চালক বলেন আমরা দীর্ঘদিনন এখান থেকে বালু নিয়ে যাই এতে আবার বৈধ অবৈধর কি আছে আমরা টাকা দিয়ে বালু ক্রয় করে নিয়ে যাই।

স্থানিয়রা জনায় কহড়পাড়া ও ফেসাডাঙ্গী ব্রিজের পাশ থেকে সারাবছরই বালু উত্তোলন করে আসছে বেস কিছ অসাধু প্রভাবশালি মহল এমন কি প্রশাসন আসলে অবৈধ বালু উত্তলোন কারিরা লুকিয়ে থাকে প্রশাসন চলে গেেেল শুরু হয়ে যায় তাদের অসাধু ব্যবসা ।শুধু তাই নয় সেখানে গিয়ে দেখা যায় ছোট দুটি ঘর বানিয়ে মাদক সেবিদের আড্ডাখানাও বানানো হয়েছে।
তারা আরো জানয়, ফেসাঙাঙ্গী ব্রিজের পাশ থেকে মো: ইছুপ আলি বাউ অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তলোন করে এর আগে দুইবার ভ্রাম্মমান আদলত এসে তাকে জরিমানা করেছে তবুও সে বালু উত্তলোন থেকে পিছপা হননি । এছারাও কহরপাড়া ্ওলাকা থেকে তারিকুল,সামিম,রাজ্জাক,রুবেল সহো অনেকে অবৈধভাবে বালু উত্তলোনের সাথে জরিত।

সদর উপজেলার ১১ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের গিলাবারি হরিনায়নপুর এলাকার টাঙ্গন নদী থেকে দির্ঘ দিন থেকে নুনু নামের একজন স্থানিয় প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ ভাবে অবাধে ড্রেজার দিয়ে চলছে বালু উত্তলোন ও বিক্রয়,তিনি দাবি করেন টেন্ডারের মাধ্যমে এ বালু তাদের একটি মহল নিয়েছে এবং তার সরকারি রশিদ রয়েছে তার কাছে রশিদ চাইতে গেলে তিনি রশিদ দেখাতে ব্যার্থ হন ।তিনি আরো জাননা জনি ,মামুন সহো আরো অনেকে রয়েছে এর সাথে জরিতো ।বিদ্র Ñ নুনু এর আগেও অসংখ্যবার ভ্রাম্মমান আদালতে ধরা পরেছিলেন।

মামুনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এটা আমরা সরকারি ডাকের মাধ্যমে কিনে নিয়েছি এ বিষয়ে আপনি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন । তিনি এর বেশি আর কিছু বলতে রাজি হননি।
১১ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যন মো: সোহাগ বলেন, শূখ নদী খননের বালি টেন্ডারে দেয়া হয়েছে এর সাথে টাঙ্গন নদীর কনো সম্পর্ক নেই এবং কি টাঙ্গনের কনো টেন্ডার আমার হাতে আসেনি ।যারা এমন করছে অবশ্যই সেটা অন্যায় করছে ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক জানায় , এলাকায় কুচক্রি মহল বালু উত্তলোনের রাজ্য তৈরি করেছে ,সেখানে তারা সকল প্রকার অপকর্ম চালায় বলে জানান তিনি ।এ বিষয়ে বাঁধা দিতে গিয়ে অনেক কেই হুমকির শিকার হতে হয়েছে বওে জানান তিনি।

নারগুন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আব্দুল জলীল জানন , এভাবে ঠাকুরগাঁও সদরের একমাত্র প্রান টাঙ্গন নদী থেকে ড্রোজার দিয়ে বালু উত্তলোনের ফলে পরিবর্তন হচ্ছে নদীর গভিরতা ও সিমারেখা এমনকি নষ্ট হচ্ছে আশপাশের ফসলি জমি ্এমন কি আমাদের পরিবেষ ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে