হাজারো পাঠকদের মন কেড়ে নিয়েছেন গোলাম রাব্বীর প্রকাশিত বই, “কী_যে_করি”।

0

রাকিব হাসান, মাদারীপুর।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে গোলাম রাব্বী’র প্রকাশিত বই,কী যে করি।

আর পাঠকদের ভালোবাসায় সিক্ত গোলাম রাব্বানী, তার লেখা বই কি যে করি ব্যাপক সাড়া মিলেছে হাজারো তরুণদের মাঝে।

স্বপ্ন দেখতে দেখতেই যাদের সময় কেটে যায় তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা ও দেশ সেরা নিউজ প্রেজেন্টার এবং হিউম্যান স্কিল ডেভেলপমেন্ট ড্রিম ডিভাইজার প্লাটফর্ম ফাউন্ডার গোলাম রাব্বী নিয়ে এসেছেন ‌’কী যে করি’।

বইটির মূল থীম স্বপ্ন নিয়ে। বইটি পাওয়া যাবে ‘অমর একুশে বই মেলা ২০২১’র ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ নম্বর স্টলে এবং রকমারীতে। বইটি প্রকাশ করবে আদর্শ পাবলিকেশন।

বইটির বিষয়বস্তুঃ

আমরা অনেকে কেবল ভাবি ‘কী যে করি’। অথচ কাজ করতে চাইলে কাজের বা চাকরির যে অভাব নাই সেটিই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কোনো কাজ ছোট না। করা যেতে উবার ড্রাইভার, পার্সেল দেয়া নেয়া বা হাল আমলের ফুড ডেলিভারিও। এমনকি ডিজিটাল অঙ্গনে ফ্রিল্যান্সিং এ করা যেতে পারে কত শত চাকরি। ওয়েব ডেভেলপ, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা মোশন গ্রাফিক্সসহ নতুন কত কী শেখা এবং চাকরির সুযোগ তো আছেই।

ইচ্ছা থাকলে বর্তমানে চাকরির পাশাপাশি বহু কিছুও করা যেতে পারে। কাজ করার দরকার না হলে অবসরে আলসেমি না করে নিজেকে গঠন, বিনোদন বা কিছু শেখাও হতে পারে হতাশা কাটানো বা স্বপ্নপূরণের মূলমন্ত্র।

কিছু করার না থাকলে বা না শিখলেও মজা, নাচ, গান করার মধ্য দিয়ে আনন্দও করা হতে পারে ভালো কাজ। আলসেমি বাদ দিয়ে কিছু করা বা বিনোদনে থাকা যদি তাও সম্ভব না হয় অন্তত একটা ঘুম দিতে পারি। যারা মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করবে।

এ বিষয়ে গোলাম রাব্বি বলেন, আমরা সবসময় ভাবতে থাকি কি যে করি, কি করবো। কিন্তু আমার এটা ভাবি না চেষ্টা করলে আমরা অনেক কিছুই করতে পারি। আমরা চেষ্টা করলে ব্যাবসা করতে পারি সেটা না পারলে চাকরি করতে পারি, চাকরির পাশাপাশি আরো অনেক কিছু করতে পারি। যদি কিছু নাও করতে পারি অন্তত একটু ঘুমাতে পারি। যা আমাদের মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। কিন্তু আমরা সেটা না করে সারাক্ষণ কি যে করি সে চিন্তায় মগ্ন থাকি। যা আমাদের মানসিক চাপ বাড়িয়ে তোলে। যারা সারাক্ষণ ‘কি যে করি’ সে চিন্তায় থাকেন তাদের জন্য আমার এই বই।

এক নজরে গোলাম রাব্বী:

গোলাম রাব্বীর বেড়ে ওঠা মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার এক অজোপাড়া গাঁয়ে। মাধ্যমিকে প্রথমবারের মতো গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ প্রাপ্তি তাকে দিয়েছিলো- এগিয়ে চলার পাথেয়। জাতীয় টেলিভিশন বিটিভির ‘কুইজ কুইজ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে হয়েছেন দেশসেরা। রচনা প্রতিযোগিতা, সাধারণ জ্ঞান,উপস্থিত বক্তৃতা ও বিতর্কে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। বিশ্ব টেলিকমিউনিকেশন্স দিবসে রাষ্ট্রপতি পদক যার মধ্যে অন্যতম।

জেলা শহরের পত্রিকা দিয়ে লেখার রাজ্যে প্রবেশ। কিশোর বয়সে, গ্রাম থেকেই অংশ নিতেন রেডিও ও পত্রিকার নানা আয়োজনে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পড়াকালিন মিডিয়ায় প্রথমে যুক্ত হন ফিচার রাইটার হিসেবে। ক্যারিয়ার ও ইতিবাচক বিষয়ের ফিচার লেখক হিসেবে কাজ করেছেন প্রথম আলো, যুগান্তর, ইত্তেফাক ও জাগো নিউজসহ প্রথম সারির কয়েকটি হাউজে। এর মাঝে হঠাৎই পথ চলা শুরু বেসরকারি এফএম রেডিওর আরজে হিসেবে। জনপ্রিয় টেলিভিশন সময় সংবাদের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রায় এক যুগ ধরে যুক্ত আছেন সংবাদ উপস্থাপক হিসেবে। অনুষ্ঠান উপস্থাপক হিসেবে যুক্ত আছেন বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিটিভিতেও। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা।

সৃজনশীল কাজ, আইডিয়া ডেভেলপমেন্ট, ইনোভেশন, প্রযুক্তি ভাবনা ও নতুন কিছু করাই তার নেশা-পেশা। লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন সার্কভুক্ত দেশসহ বিশ্বের ৯টি দেশে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে