ইউপি চেয়ারম্যান ও পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক সংবাদ প্রচার।।

0

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও জেলা পীরগঞ্জ উপজেলার ৫ নং সৈয়দপুর ইউপি চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক সংবাদ প্রচার প্রসঙ্গে। “ত ১৫ ই মার্চ ২০২১ ইং তারিখে অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম এবি নিউজ ২৪ ড

টকম নামক একটি পত্রিকা , পীরগঞ্জ উপজেলার ৫ নং সৈয়দপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হকের বড় ছেলে ইলিয়াস লিমনের বিরুদ্ধে ভিজিডি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়া প্রসঙ্গে একটি সংবাদ প্রচার করে । যা প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও কাল্পনিক।

সংবাদে উল্লিখিত স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় এ মিথ্যা সংবাদের অবতারণা করা হয়েছে শুধু চেয়ারম্যানের পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি বিভিন্ন ভাবে ক্ষতি করার জন্য। একটি কুচক্র মহল উঠে পড়ে লেগেছে, তাছাড়া উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন যা আদৌ সত্য নয় রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছেন বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী ।

এছাড়াও সরজমিনে গিয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে জানা যায় যে বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত । সংবাদটি প্রচারের সময় ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক, ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের মাননীয় এমপি জাহিদুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আক্তারুল ইসলাম, সদ্য নির্বাচিত পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব ইকরামুল হক সহ সরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার একটি প্রতিনিধি দলের সহিত ইউনিয়নের বাইরে অবস্থান করছিলেন।এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব তাপস কুমারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত তিনি আরো জানান, ৫ নং ইউনিয়ন পরিষদ সহ সমগ্র উপজেলায় চেয়ারম্যান সাহেব এবং উনার পরিবারের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে তাই কোন কুচক্রী মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে উনার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য এই সংবাদটি প্রচার করে থাকতে পারেন ।

আর এ বিষয়ে থানায় কোন জিডি কিংবা কোথাও রিপোর্ট করা হয়নি।এমতাবস্থায় সঠিক তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে পরিলক্ষিত হয় যে, অত্র ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য চেয়ারম্যানের অগোচরে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ করে আসছিলেন। চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে ইউপি সদস্য এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে প্রতিটি ভিজিডি কার্ডের প্রেক্ষিতে ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছিলেন।এলাকার জনগণ উক্ত বিষয়টি চেয়ারম্যানের বড় ছেলে ইলিয়াস লিমনের কাছে অবহিত করলে তিনি ইউপি সচিব কে চেয়ারম্যান সাহেব না আসা পর্যন্ত ভিজিডি কার্ডের কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

আর এ কারণেই উক্ত কুচক্রী মহল উল্টো ইলিয়াস লিমনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদটি প্রচার করে, যা ছিল সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক ।এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সংবাদটি পরিবেশনের সময় আমি সরকারি কাজে ইউনিয়নের বাইরে ছিলাম, বিষয়টি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যা আমাকে যথেষ্ট মর্মাহত করেছে । আমি এলাকার জনগণকে বিভ্রান্ত না হয়ে অতীতের ন্যায় আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য অনুরোধ করছি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে