ঝালকাঠির সাধারণ মানুষের বন্ধু পুলিশ অফিসার শিপন এখন পিরোজপুর জেলা পুলিশে

0

গাজী মো.গিয়াস উদ্দিন বশির,ঝালকাঠি:
অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, আসামি গ্রেপ্তার, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বা জীবন বিপন্ন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেছেন পুলিশ অফিসার শিপন।
পুলিশ বিভাগে সাহসিকতা ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছেন শিপন। ঝালকাঠি থেকে তাকে বদলি করা হয়েছে পিরোজপুর জেলা পুলিশে। শিপনের বদলির খবরে ঝালকাঠির সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে এক হৃদয় বিধারক ব্যথা যে,কম্পনের কথা কাউকে বলা যায় না বা বোঝানোও যায় না বলে অনেকেই ব্যক্ত করেছেন।
ঝালকাঠি জেলায় দীর্ঘ সাড়ে চার বছর ধরে সুনামের সাথে কাজ করায় পুলিশ অফিসার শিপন নামটি এখন জেলার সর্বত্র সবার মুখে, অসহায় আর্তপীড়িত সাধারণ মানুষদের হৃদয়ে, মাদক-ব্যবসায়ী, অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের বুকের কম্পন এবং পুলিশই জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল এমন ভরসা ও আস্থার জায়গা যিনি তৈরি করেছিলেন। তিনি বর্তমান করোনা মোকাবেলার একজন সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে তার কর্মগুনে জেলাবাসীর কাছে মানবিক হয়ে উঠেছেন।
ঝালকাঠিতে যোগদানের পর যিনি জয় করে নিয়েছেন মানুষের মন। সেবা সততা নিষ্ঠা আর আন্তরিকতা দিয়ে যিনি ইতোমধ্যে ঝালকাঠি বাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
সাড়ে চার বছরে তিনি পুলিশ সম্পর্কে জেলাবাসীর ধারণাই পাল্টে দিয়েছেন। নিরলস পরিশ্রমী মেধাবি এই পুলিশ অফিসার শিপনের কারণে ঝালকাঠির সাধারণ মানুষ আজ পুলিশকে তাদের রক্ষক ও সেবক ভাবতে শুরু করেছে।
ঝালকাঠির সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে যে কারো কাছে জানতে চাইলে আপনি পুলিশ অফিসার শিপনের প্রশংসা এবং সততার কথা শুনতে পাবেন। কর্মক্ষেত্রে এই সাড়ে চার বছরে তিনি সাধারণ মানুষের উন্নয়নে নিরলস পরিশ্রম করেছেন।
শিপন সাধারণ মানুষকে একটি কথাই বলতেন? যে কোন প্রয়োজনে তারা যেন পুলিশের সাহায্য নেয়। দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন এই নীতির কারণে তিনি জেলার মানুষের কাছে এখন আস্থার প্রতীক এবং জেলা পুলিশ ঝালকাঠি এখন জনতার শেষ আশ্রয়স্থল ।
এ ব্যাপারে পুলিশ অফিসার মোঃ তুহিন আহম্মেদ শিপন বলেন, ঝালকাঠি পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক ও সদর থানার কর্মকর্তা মোঃ খলিলুর রহমানের নির্দেশ অনুযায়ী জনগনের সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। যে কোন মামলা,মাদক,ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে জণগনকে সচেতন সহ সকল অপরাধ দমনে কঠোর ভ‚মিকা পালন করেছি। #

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে