ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন তরী’ এখন ঝালকাঠি সুগন্ধা নদীর তীরে

0

গাজী মো.গিয়াস উদ্দিন বশির,ঝালকাঠি

ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন তরী’ এখন সুগন্ধা নদীর তীরে। ঝালকাঠি পৌর এলাকার বাসিন্দাদের নাম মাত্র ফি তে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পেতে বিভিন্ন এলাকার লোকজন চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই যোগাযোগ শুরু করেছে।
হাসপাতালটি ১২ শয্যার। এতে তিনজন চিকিৎসক দিয়ে নাক, কান, গলা ও চক্ষু চিকিৎসা ও বিশেষজ্ঞ সার্জন দিয়ে অস্ত্রোপচার এবং হাড়জোড়া, হাড়ভাঙা,পঙ্গুত্ব, জন্মগত ঠোঁটকাটা-তালুকাটা রোগীদের চিকিৎসা, প্লাস্টিক সার্জারিসহ অন্যান্য চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে বলে ‘জীবন তরী’।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেসরকারি সংস্থা ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের পরিচালনাধীন হাসপাতালটি ঝালকাঠির ডিসি পার্কের সুগন্ধা নদীর তীরে নোঙর ফেলেছে সোমবার সকালে। আগামী ৭ মার্চ থেকে চিকিৎসা সেবা শুরু হবে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালটি ১২ শয্যার। চিকিৎসক তিনজন। এর মধ্যে একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ, একজন চোখের, একজন অর্থোপেডিকসের। চারজন নার্স, দুজন কর্মকর্তাসহ মোট ৩৫ জন জনবল আছে হাসপাতালে। মুমূর্ষু রোগীদের আনা-নেওয়ার জন্য স্পিডবোট আছে দুটি। এখানে নিয়মিত এক্স-রে, রক্তসহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করার ব্যবস্থা আছে।
হাসপাতালটিতে স্বল্পমূল্যে চক্ষু রোগের চিকিৎসা করা হয়। লেন্স সংযোজনের মাধ্যমে চোখের ছানি অস্ত্রোপচার করা হয়। ভাসমান হাসপাতালে ফ্যাকো সার্জারিরও ব্যবস্থা আছে। পঙ্গু রোগীদের সহায়ক সামগ্রী দেওয়া হয়।#

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে