আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে পিঁড়িতে বসা সেলুন

0

ডেস্ক এক সময় হাটবাজারে গিয়ে টুল বা চৌকিতে বসে চুল কাটানো হতো। যা এখন এসি-ননএসি বড় বড় শপিং মহলগুলোতে চলে গেছে। একজন প্রতিদিন হাজার টাকা আয় করছেন অপরদিকে একই কাজ করে আমরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। কথাগুলো বলছিলেন সুদীর চন্দ্র শীল (৭১)।

জানা গেছে, কুুুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ফুটপাতে চুল-দাড়ি কেটে সংসার চালাতেন কয়েক হাজার শীল (নাপিত) সম্প্রদায়ের মানুষ। এখন আর তেমন কেউ নতুন করে এ পেশায় আসছে না বিশেষ করে যারা নিম্ন আয়ের মানুষ। বেছে নিচ্ছে ভিন্ন পেশা। যাদের অর্থ-বিত্ত আছে তারা শহরের শপিং মহলগুলো বড় বড় সেলুন করছে।

সদর উপজেলার কাঁঁঠালবাড়ি হাট বাজারে কর্মরত জীতেন্দ্র শীল বলেন, আমি প্রায় ৩৫ বছর যাবৎ বিভিন্ন হাট বাজারে গিয়ে চুল ও দাড়ি কাটে যা উপর্জন হয় তাই দিয়েই সংসার চলায় কোনো রকম।
সুদীর চন্দ্র শীল বলেন, বর্তমান বাজারের দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতির সাথে চলতে পারছিনা।

১৫০ থেকে ২০০ টাকার কাজ করে নূন আনতে পান্থা ফুরায় অবস্থা। বয়সের শেষ সময়ে চলে এসেছি অন্য কোন কাজও করতে পারিনা। তাই বাধ্য হয়ে হাটে-বাজারে ঘুরতে থাকি চুল কাটার জন্য।

শ্রী গোপাল চন্দ্র শীল বলেন, ৪৭ বছর আগে থেকে দুই আনায় চুলকাটা শুরু করেছিলাম এখন ২০ টাকা করে চুল কাটছি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে