প্রবাসী শাহ পরাণের সহযোগিতায় সেই কাকড়া খাওয়া মা পেল শান্তি নিবাস 

0
সোহেল রানা,শার্শা (যশোর) প্রতিনিধিঃশীতার্ত আবহাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে একটি ছোট চারা খেজুর গাছের নিচে জবুথবু হয়ে শুয়ে  থাকতেন এই কবিতা।খাবারের নির্দিষ্ট কোনো ব্যবস্থা না থাকায় অনাহারে অধিকাংশ সময় কাটতো তার।কেউ কোনো খাবার দিলে তা একটু খেয়ে একটু বাঁচিয়ে রাখেন তিনি।
খাবার না থাকলে কখনো না খেয়ে খালে বিলে কিংবা ডোবা জলাশয় থেকে ছোট ছোট কাঁকড়াও খেয়ে জীবন বাঁচাতেন।বৃদ্ধা মায়ের শান্তি নিবাসের কাজে সেচ্ছায় শ্রম দেন ঝিকরগাছার ব্লাড ফাউন্ডেশনের তরুন কয়েকজন যুবকসহ আরও অনেকে।
বৃহস্পতিবার (১১ ফ্রেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সেই বৃদ্ধা কবিতা মায়ের জন্য বেনাপোল বাইপাস সড়কের পাশেই ফিতা কেটে ও দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শান্তি নিবাসের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
এর আগে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ হলে কারও নজরে না আসলেও আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। ঠিক সেই মুহুর্তেই মানবতার ফেরিওয়ালা দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমানের নজরে এলে পাশে দাড়ান সেই কাঁকড়া খাওয়া মায়ের পাশে। প্রবাসী দের সহযোগিতায় তিনি করে দেন কবিতা শান্তি নিবাস নামে একটি বসতবাড়ি।তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার একটি টিউবওয়েল,লেপ তোষক, বালিশসহ খাদ্য সামগ্রী নিয়ে হাজির হন উদ্ভাবক মিজান।
এসময় দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমান বলেন,মানব সেবা বড় সেবা পৃথিবীতে কেউ কিছু নিয়ে আসেনি আর নিয়েও যাবেনা। তাই আসুন আমাদের সমাজে যারা অসহায় অবহেলীত আছে তাদের পাশে এসে দাড়াই।এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই।এই মহতী উদ্যোগে আর্থিক সহযোগিতা যারা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।একই সাথে তিনি কবিতা মায়ের ভোরণ পোষণসহ সার্বিক দায়িত্বের আশ্বস্ত করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন,তরুন সমাজ সেবক বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন,জমিদাতা আব্দুল্লাহ স্বপন মোল্লা,ডাঃ বিল্লাল হোসেন,আব্দুল মালেক,মিডিয়া কর্মীসহ বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে