রাণীশংকৈলে আ’লীগের নির্বাচনী অফিসে আগুন ! ” উঠান বৈঠকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ”

0

আনোয়ার হোসেন আকাশ রাণীশংকৈল থেকে.. ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচনে আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিুজর রহমানের একটি নির্বাচনী ক্যাম্প অফিসে আগুন দিয়েছে দূর্বত্তরা। গত মঙ্গলবার মধ্যেরাতের কোন এক সময় পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের হাটখোলা নির্বাচনী এ ক্যাম্পে আগুন দেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।এতে ক্যাম্পের বেশ কিছু পোষ্টার আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বেশিকিছু ক্ষতি হওয়ার আগেই স্হানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলে।

অপরদিকে একই দিন রাতে ৫ নং ওয়ার্ডের ভান্ডারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উঠান বৈঠকে পাঁচ শতাধিক নারীপুরুষ মিলে নির্বাচনী আলোচনা করছিল। হঠাৎ করে চতুর্থদিকে থেকে এলোপাথারী ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে সভা পন্ড করে দিয়েছে দূর্বত্তরা। এ নিয়ে থানায় পাঁচ-ছয়জনের নাম উল্লেখ্য করে পৃথক পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছে আ’লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান।

বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ ও থানা পরিদর্শক এস এম জাহিদ ইকবাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ বিষয়ে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, এ ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, নির্বাচনী অফিস ক্যাম্পে আগুন দিয়েছে আমার প্রতিপক্ষ ক্যারাম বোর্ড প্রতিক আলমগীর সরকারের সমর্থকরা বলে তিনি দাবী করেন।

ক্যারাম বোর্ডের প্রার্থী আলমগীর সরকার বলেন, রাতের আধাঁরে কে বা কাহারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। সেই ঘটনা আমার উপর চাপানো হচ্ছে। এটি সেফ একটি গুজব,আমার নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার অংশ হিসাবে উদ্যোশ্য প্রণোদিতভাবে দোষ চাপিয়ে দেওয়ার পায়তারা করা হচ্ছে। নির্বাচনে হেরে যাবে যেনে ,মামলা হামলা করে আমার সমর্থকদের হয়রানী করার বহিঃপ্রকাশ ঘটনা এগুলো।

থানা পরিদর্শক এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, পৌর নির্বাচনের সহিংস দুটি ঘটনার আ’লীগ মনোনীত প্রার্থীর লিখিত পৃথক দুটি অভিযোগ পেয়েছি। যা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে প্রমাণ পেলে দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে