বাহ এ কি কান্ড, মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ডাক্তারের কাজ করতেছেন তার সহকারী।

0

রাকিব হাসান, মাদারীপুর।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালে মেডিকেল চিকিৎসকের পরিবর্তে ডাক্তারের সহকারী রোগিদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। ডাক্তার
বৃহস্পতি এমনই দৃশ্যধারণ করে এক সংবাদ কর্মী। তবে মোবাইল ফোনে এমন দৃশ্যধারণ করাতে ওই সংবাদ কর্মীর উপড় চটে যান হাসপাতাল কতৃপক্ষ।ডাক্তার না হয়ে কিভাবে রোগি দেখে ডাক্তারের সহকারী।

হয়তো একটি ভুলের জন্য চলে যেতে পারে আর একটি প্রাণ।যদি বিড়াল দিয়ে জমি চাষ করা যেত তাহলে মানুষ গরু কেনতো না বিড়াল দিয়ে জমি চাষ করত।যেহেতু সেটা সম্ভব নয় সুতরাং বোঝা উচিৎ ডাক্তারের কাজ ডাক্তারই করতে পারে তার সহকারী নয়।

যেখানে মানুষ যাবে সুস্থ হওয়ার জন্য আর সেখানেই হয় যদি মরণ ফাদ তাহলে যাবে কোথায় মানুষ , বিনা চিকিৎসায় মরবে তারা এই যদি হয় ডাক্তারদের অবস্থা এযেন চিকিৎসার স্হান না যেন টাকা লুটে নেওয়া স্হান। সরকার হাসপাতাল দিয়েছেন গরিব ও অসহায় মানুষের ফ্রি চিকিৎসা নিতে পারে এবং সেখানে যদি চলে আমলাতন্ত্র তাহলে সাধারণত বেঁচে থেকে লাভ কি।সেবার নামে চলছে মরন মেলা।

সংবাদ কর্মী রাকিব হাসান জানান, তথ্য সংগ্রহ করতে সদর হাসপাতালে গেলে, আউটডোরে জরুরী বিভাগে দুজন চিকিৎসক রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে।

সংবাদ কর্মী রাকিব হাসান ওই চিকিৎসকদের সাথে কাথা বলেন। এক পর্যায়ে তাদের কথা সন্দেহ হলে রাকিব হাসান তাদের পরিচয় জানতে চায়। জানা যায় তারা কেউ চিকিৎসক না তারা ডাক্তারে সহকারী। রাকিব হাসান মোবাইল ফোনে তাদের ভিডিও ধারণ করে। বিপাকে পরে দুই সহকারী তড়িঘড়ি করে জরুরী বিভাগ ত্যাগ করে। পরে রাকিব হাসানের উপর ক্ষিপ্ত হয় হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

নাম বলতে ইচ্ছুক নয় এমন কয়েকজন রোগি বলে,আমার মাথা ব্যাথার জন্য হাসপাতালে এসেছি তারা গ্যাষ্টিকের ঔষধ দিয়েছে আর একজনকে ভিটামিন ঔষধ দিয়েছে।

সাংবাদিক রাকিব জানতে চাইলে
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আর এম নুরুল ইসলাম বলে,তারা মুলত ডাক্তার না, আমরা তাদেরকে প্রতি তিন মাস করে ডিউটি দেই। এছাড়াও এরা ডাক্তারদের সাপোর্ট।

মাদারীপুর জেলা সিভিল সার্জন, শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ডাক্তার না থাকায় এমনটা করতে হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে