কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের জমি দখল করে স্থাপনা নিমার্ণ

0
কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ   নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের জমি দখল করে টিনশেট ঘর নিমার্ন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতবিার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুরাতন উপজেলা পরিষদ হলুরুমের সাথে ফাঁকা জায়গাটি  টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।
এসময় ঘরটির ভিতরে গিয়ে দেখা যায় অন্ধকারে বাল্ব লাগিয়ে দশ থেকে বারোজন নিমার্ণ শ্রমিক পাঁকা ঘরের নিমার্ণ কাজ করছেন। সরকারী জায়গা দখল করে  বেড়ার ভিতরে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য দিনরাত সমানভাবে কাজ করছে নিমার্ণ শ্রমিকেরা। এসময় নিমার্ণ শ্রমিকেরা জানায়, জমি সরকারী না মালিকানাধীন তা আমরা জানিনা। আমাদের কাজে লাগিয়েছেন পুটিমারী ইউনিয়নের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি নিতাই ইউনিয়নের ফরুয়াপাড়া গ্রামের আফিজার রহমানের কাছে ৮ শতক জমি ক্রয় করেছি। ক্রয় মূলে  আমি আমার কেনা সম্পত্তিতে ঘর নিমার্ণ করছি। তিনি আরো বলেন, ৩০২১ দাগে অনেকেই জমি কিনেছে। সকলেই ওই জমিতে স্থাপনা নিমার্ণ করে ভোগ দখল করে আসছিল কিন্তু ১/১১ তত্তাবধায়ক সরকারের সময় সমস্ত স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়া হয়। পরবতর্ীতে আমরা দলিলদাতাগণ  প্রশাসনিক হয়রানী এড়াতে হাইকোর্টে রিট করেছি। যাহার রিট নম্বর ৪০৯৭/২০০৭ ইং।
উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কাযার্লয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ আবাসিক এলাকার মোট জমি ২২ একর ৭ শতাংশ।  তাঁর মধ্যে উপজেলা পুরাতন হলরুম সংলগ্ন ৩০২১ দাগে মোট ৯২ শতক জমি রয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান বলেন, উপজেলা পরিষদের জায়গায় ঘর নিমার্ণ করার খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যেহুতু জায়গাটি উপজেলা পরিষদের সেহুতু এটি উপজেলা নিবার্হী অফিসারের বিষয়। উপজেলা নিবার্হী অফিসার এ বিষয়ে সিধান্ত নেবেন।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার রোকসানা বেগম বলেন, সরকারী জায়গা দখল করে ঘর নিমার্ণ কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সরকারী জমি দখলের সাথে যারা জড়িত  সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান(পুরুষ) কে বাদী করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে